বন্ধুসখা, ব্যস্ততার ভিড়ে কোনো একদিন
চলে এসো স্মৃতি চারণের ফাঁকে
আবার না হয় হবে তারুণ্যের রোমন্থন
নজরুল অথবা কবি গুরুর ডাকে
কিংবা জীবনানন্দের জীবন দর্শনে
আমরা পরমানন্দের কাব্যিক অভিসারী
দিন কাটাবো নতুন প্রাণের শিহরণে
শীতল হাওয়ায় স্নাত হবো মেঘের বাড়ি
ষড়ঋতুর অপরাহ্নরা ভীষণ অভিমানে
আজও চে, লেলিন, শার্ল বোদলেয়ার
মেরী ওলস্টোনক্রাপ্টকে রেখেছে স্মরণে
ভুলে যায়নি শেলী, ম্যাক্সিম গোর্কি , শেক্সপিয়ার
বন্ধু সখা, বঙ্কিমচন্দ্র, শরৎ, বিহারি লাল
খণার বাণী যুগের অন্ধকারের আলো
শীর্ষেন্দু, সমরেশ, অরুন্ধতি,মহাশ্বেতা, সুনীল
তারুণ্যের চোখ মেলে বেসেছিলাম ভালো
রসনার বিলাস ত্যাগের মহিমে রোকেয়ার দান
মানবিকতার বিশুদ্ধ চর্চা পাঠে মননে
চেতনার চৈতন্যে সদা অভিভূত প্রাণ
এমনই সহস্রাব্দের আর্য অনার্যের চারণে
কালের যাত্রায় হেটে গেছি দুরের পাড়ে
ক্লান্তি ভুলে ক্রোশের পরে ক্রোশ
নন্দনতত্ত্বের নন্দিত পায়ে পায়ে হাত ধরে
বিভূষিত ছিল স্নিগ্ধ আঁখির আগে ভূষণ বেশ
বন্ধু সখা, রাধাচূড়ার কুসুমিত কানন কুন্তলে
এসো তর্কের ঝড়ে কৃষ্ণের দ্বৈপায়ন রথ
ধুলোশায়ী করে মিশিয়ে দিয়ে যাই ভূতলে
আবারও তোমাতেই আসিয়া খুঁজে পাই পথ
আলোচ্য বিষয়ঃ অমিত লাবণ্য কেতকী
উৎসব মুখর আমরা ক’জন মহুয়ার বনে
কথায় কথার বৃষ্টি জলে ভেসেছে কত কি
নিরবতা ভাঙে জয় পরাজয়ের বাক রণে
একেক দিনের জীবন সংস্কারের গল্পে
আসমুদ্র হিমাচলের মতো বাঁধার প্রাচীর
গড়ে উঠেছে ক্রমে ক্রমে বেদনার রুপকল্পে
সময় যেন ছোট গল্পের সংগার রেশ
বিভাজনের সেতু পার করে এসো ফিরে
আমাদের অসমাপন গল্পগুলো হোক শেষ