নিজস্ব সংবাদদাতাঃ দেশের নির্বাচনী সংস্কৃতিতে প্রায়শ: দেখা যায়, নির্বাচনের ঠিক আগ মুহুর্তে একদল ছেড়ে অন্য দলে যোগদানের উৎসব। ফলে রাজনীতির অঙ্গনে এক ধরনের অসন্তোষ বিরাজ করে। বিগত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কালীন সময়েও লক্ষ করা গেছে, বিএনপি থেকে হঠাৎ করে আওয়ামীলীগে যোগদেন শাহজাহান ওমর, এবং ঝালকাঠি-১ আসনে নৌকা প্রতীকে জয়লাভ করেন। ফলশ্রুতিতে সমালোচনার ঝর বয়ে যায় সারাদেশে।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার এর নেতৃত্বে কতিপয় নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।
একদল থেকে আরেকদলে যোগদান করে নির্বাচনে অংশগ্রহন করা যাবে না। কোন দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেতে অন্তত পক্ষে তিন বছর সদস্য পদ থাকার প্রস্তাব করা হয়েছে। না ভোটের বিধান ফিরিয়ে আনার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনী যুক্ত, প্রবাসীদের ভোটের সুযোগসহ কমপক্ষে ২০টি বিষয়ে সংস্কারের পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সংস্কার কমিশন।
নির্বাচনে অটো পাস বন্ধ করা, নারী আসন বাড়ানো, নির্বাচনী ব্যয় নিরীক্ষা, হলফনামার তথ্য যাচাই, প্রবাসীদের ভোটের সুযোগ, প্রার্থিতা বাতিলে ইসির ক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে সুপারিশ করতে পারে সংস্কার কমিশন।
বদিউল আলম মজুমদার বলেন, না ভোটের পক্ষে দেশে অনেক জনমত আছে। না ভোট প্রয়োগের সুযোগ থাকলে ২০১৪ সালে কলঙ্কজনক নির্বাচন হত না।
নির্বাচন নিয়ে বদিউল আলম মজুমদার আরও বলেন, ড. সামসুল হুদার কমিশনের সময় নির্বাচন নিয়ে একটা অচল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছিল আমরা তা দেখেছি। সেনাবাহিনীকেও আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংজ্ঞায় আনাটা বিবেচনাধীন। তাই নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারের সুপারিশগুলো এ মাসে জমা দেওয়ার কথাও রয়েছে।