শুধুই নয়তো কালের আবর্তনে কালে,
শোষিত যুগেরও মুক্তির বার্তাবহ ছিলে।
তাইতো সূর্য দেবতা রুপে আবির্ভূত হলে,
অথচ কার্যকারণ ছাড়া,
অন্ধকার গহ্বরে পথহারা।
সূর্য উদয়ের প্রারম্ভকালে,
যবনিকার স্রোতে আশার তরী ভাসালে,
সেই থেকে আজও নিরন্তর খুঁজে ফেরা,
আদি অনাদিকালের গল্প ঘেরা।
কোথায় খুঁজিনি
শৈশবের বেভুল আধোঘুমে,
কৈশোরের দুরন্ত অবুঝের প্রেমে,
শাপলা ফোটা ঝিলের বুকে,
জলময়ূরীর নৃত্য সুখে।
কোথায় ছুটিনি
ঘাসফড়িং এর ভোঁদৌড়ে, পদ্মজলে দুপুরে,
শিউলি ঝরা ভোরে, দুর্বাঘাসে শিশিরে,
সবুজের প্রান্তরে রাখালীায়া সুরে।
কতোদিন ডেকেছি
চাঁদের বুড়ীর চরকিতে, পঞ্চদশীর আলোতে
নক্ষত্রের রজনীতে, হাজার নদীর জলেতে,
আশার তরঙ্গতে, শ্রাবণ মেঘের ধারাতে।
অবশেষে পেয়েছি
অনুভবের আভরণে, কোলাহলে জনঅরণ্যে
যাযাবর যৌবনে, ফেরারি জীবনে
হঠাৎ আলোয় আলোর মুক্তি
তোমাতে শোকেই অপার শক্তি।
তোমার মাঝে সরোসিজ প্রেমের কাব্যবীণা,
জীবনের রোজনামচায় অহমিয়া মূর্ছনা।