নিজস্ব সংবাদদাতাঃ বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী‘র পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ভারতের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মুখরিত শ্লোগানে বিএনপি’র ৩ সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল। আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননা, ভারতীয় মিডিয়ায় অপপ্রচার ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধানোর ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ঢাকা থেকে আগরতলা অভিমুখে লংমার্চ করছে। বুধবার সকাল ৯টায় রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে এ লংমার্চ যাত্রা করেন।
আজ লংমার্চে অংশ নিতে সকাল ৭টা থেকে জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের অসংখ্য নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে নয়াপল্টনে জড়ো হতে শুরু করেন। এসময় তারা ভারতবিরোধী বিভিন্ন শ্লোগানে নয়াপল্টন প্রাঙ্গণ মুখরিত করে তোলেন।
এই কর্মসূচিকে ঘিরে নয়াপল্টন ও এর আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তার বলয় গড়ে তুলেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। পাশাপাশি সাদা পোশাকেও বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের দেখা গেছে।
বিএনপির ৩ সংগঠনের লংমার্চের রুট হলো- সকাল ৮টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে লংমার্চ শুরু হয়ে পল্টন-ফকিরাপুল-ইত্তেফাক মোড় হয়ে ফ্লাইওভারে উঠবে। এরপর সাইনবোর্ড-চিটাগং রোড-কাঁচপুর-মোড়-তারাবো-বরফা-ভুলতা-গাউছিয়া-চনপাড়া-মাধবদী-পাঁচদোনা-সাহেপ্রতাব-ভেলানগর-ইটখোলা-মারজাল-বারুইচা হয়ে ভৈরব পৌঁছাবে লংমার্চ। এরপর ভৈরব পথসভা করে আখাউড়া স্থলবন্দর অভিমুখে রওনা দেবে লংমার্চে অংশগ্রহনকারীরা।
ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের সঞ্চালনায় লংমার্চ পূর্ব নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সংক্ষপ্তি সমাবেশে বক্তব্য রাখেন যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না, সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান প্রমুখ। এতে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
এছাড়াও ভৈরব মোড়ে একটি পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী, সভাপতিত্ব করবেন যুবদল সভাপতি মোনায়েম মুন্না।
আখাউড়া স্থলবন্দরে হবে সমাপনী সমাবেশ। সেখানেও প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন যুবদল সভাপতি মোনায়েম মুন্না, সভাপতিত্ব করবেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী।
আখাউড়া পৌঁছানোর আগে প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তা হেঁটে সমাবেশ স্থলে উপস্থিত হবেন জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা, তথ্যটি আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়।