রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি: রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পেছনের সরকারি রাস্তার পাশ থেকে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা মূল্যের চারটি মেহগনি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযুক্তের নাম মামুন শেখ (৫০)। তিনি উপজেলা শহরের মৃত আব্দুস সামাদ শেখের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনাটি ঘটেছে গত বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) সকালে গাছগুলো কেটে এনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন নিজের বাড়িতে মজুত রাখেন মামুন শেখ ও মাসুম শেখ।
জানা গেছে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দক্ষিণ পাশে পানি প্রবাহের জন্য একটি সরকারি খাল রয়েছে। খাল ও সীমানা প্রাচীরের পাশে মাটির রাস্তা দিয়ে এলাকাবাসী যাতায়াত করে। সড়কের উত্তর পাশে মেহগনি, নারকেল ও আমসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ ছিল। এরমধ্য থেকে চারটি বড় মেহগনি গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।
এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা রুহুল আমিন ও মো. মাসুদুর রহমানসহ অনেকে অভিযোগ করে বলেন, সরকারি সম্পত্তি এভাবে কেউ কাটতে পারে না। প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা মূল্যের গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি। তারা বলেন, বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে এবং তদন্তও হয়েছে। তাদের দাবি, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
অভিযুক্ত মামুন শেখ অবশ্য দাবি করেছেন, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে লিজ নেওয়া জায়গায় তারা গাছ লাগিয়েছিলেন। তাই গাছ কাটার অধিকার তাদের রয়েছে। তিনি বলেন, উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা ডেকেছেন, সেখানেই বসে বিষয়টির সমাধান হবে।
বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনার খবর পাওয়ার পর এসিল্যান্ডকে পাঠানো হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ২০১২ সালে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ওই জমি লিজ দেওয়া হয়েছিল। চুক্তি অনুযায়ী গাছের ৬০ ভাগ ইউনিয়ন পরিষদের এবং ৪০ ভাগ লিজগ্রহীতার হওয়ার কথা। তিনি বলেন, কাগজপত্র যাচাই চলছে। ইউনিয়ন পরিষদ আদৌ এভাবে লিজ দিতে পারে কি না এবং লিজের বৈধতা কতটুকু তা যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এছাড়াও জানাযায়- মাসুম শেখ এর ভয়ে কেউ এতোদিন মুখ ও খুলতে পারে নি- মামুন শেখ ও মাসুম শেখ ফরিদপুর পৌরসভার সাবেক পলাতক মেয়র ও আওয়ামিলীগ গডফাদার – মেথু মিয়া’র ভাই খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায় ধাওয়া পারা ফেরিঘাট ফাঁড়ি লুট মামলার ১৪বছর এর সাজাপ্রাপ্ত আসামি এই মাসুম।
ধাওয়া পাড়া ফেরি ডাকাতি’র ডাকাতদের মধ্যে একজন-সদস্য ও তিনি এই মাসুমের ফরিদপুর থেকে অস্ত্র সহ গ্রেফতার হয় ও তার নামে একটি অস্ত্র মামলা’র ও রয়েছে।
জানাগেছে সর্বহারা পার্টির সক্রিয় সদস্য ও ছিলো এই এই মাসুম বালিয়াকান্দি বাসী এই মাসুম এর চাঁদাবাজী সত্রাসে আতংকিত ও অসহায় ও ভীরু ছিলো।
অপারেশন ক্লিন হাট এর সময়- ১৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও ক্রসফায়ার থেকে বাঁচতে বড় ভাই মামুন শেখে সাহায্যে পাড়ি জমান ইতালি।
প্রতি বছরই দেশে এসে ২/৩ মাস করে থেকে তার ক্যাডার ও সত্রাস বাহিনীর চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন টেন্ডার বাজী টাকা ভাগাভাগি করেন।
গত ১৮/০৮/২০২৫ সোমবার বালিয়াকান্দি সাধারণ মানুষ এই মাসুম শেখ এর দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন পালন করে এবং ১৯/০৮/২০২৫ ইং মঙ্গলবার বালিয়াকান্দি সর্বস্থরের জনসাধারণ ও বালিয়াকান্দি বাজারের সকল ব্যাবসায়ীরা মাসুম শেখ এর গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সকাল ৬ টা থেকে দুপুর ১ টা আধা-বেলা হরতাল পালন করেন।








