নিজস্ব সংবাদদাতা: গুম করে রাখা শুধু অন্যায়ই নয়, মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইনেরও চরম লঙ্ঘন।
শুক্রবার ২৯ ডিসেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে অধিকার এর উদ্যোগে গুম এর শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তারা এই কথা বলেন।
২০১১ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্বর্যাপী ৩০ আগস্ট ‘আন্তর্জাতিক গুম দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। এ দিনে গুমের শিকার ব্যক্তিদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে এবং তাদের পরিবার-পরিজনের প্রতি আন্তরিক সহমর্মিতা জানান উক্ত আলোচনা সভায়। বক্তারা প্রিয়জন হারানোর বেদনা কত যে কঠিন তা ভুক্তভোগী ছাড়া অন্য কারো পক্ষে অনুধাবন করা সম্ভব নয়।
গুমের শিকার পরিবারের অনেকেই প্রিয়জনের খোঁজ না পেয়ে দুঃসহ কষ্ট ও মানসিক ট্রমায় দিন কাটাচ্ছেন। অনেক পরিবার ধ্বংসের মুখে পড়েছে। দীর্ঘদিন গুম থাকার পর তাদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা আজও অজানা, বর্তমান সভ্য পৃথিবীতে আজও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্বৈরশাসকদের রোষানলে পড়ে অসংখ্য মানুষ গুম হচ্ছেন। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়।
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার তথ্যানুযায়ী, বিগত সরকারের শাসনামলে বিরোধী মতের রাজনৈতিক নেতা-কর্মীসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাতশ’রও বেশি মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন। এভাবে কাওকে গুম করে রাখা শুধু অন্যায়ই নয়, মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইনেরও চরম লঙ্ঘন আলোচকরা মনে করেন।
উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন অধিকার এর প্রেসিডেন্ট ড. তাসনিম সিদ্দিকী,
প্রধান অতিথি ছিলেন সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, উপদেষ্টা, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রনালয়, উপস্থিত ছিলেন তাসকিন ফাহমিনা, সিনিয়র রিসার্ভার, অধিকার, নাবিলা ইদ্রিস- সদস্য, গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন, এস এম তাসমিরুল ইসলাম, প্রসিকিউটর আইসিটি ট্রাইব্যুনাল, হুম্মাম কাদের চৌধুরী-গুম হতে ফেরত আসা ব্যক্তি, সৈয়দ আবদাল আহমেদ- নির্বাহী সম্পাদক, আমার দেশ, নাসরিন জাহান স্মৃতি- গুম হওয়া ইসমাইল হোসেন বাতেনের স্ত্রী সহ অন্যান্য ভুক্তভোগীরা।








