নিজস্ব সংবাদদাতাঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন প্রক্রিয়া ও চূড়ান্ত ভোটার তালিকার কার্যক্রম ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।
একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে সোমবার বিচারপতি হাবিবুল গনি ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এই আদেশ দেন।
ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের মনোনীত জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটের শুনানি শেষে আদালত এই আদেশ দেন। বামজোট মনোনীত প্যানেলের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক পদপ্রার্থী বিএম ফাহমিদ আলম রিটটি দায়ের করেন।
রিটকারীর আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদের ছাত্রলীগের সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে।
তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ডাকসু ও হল সংসদের ভোটগ্রহণের কথা ছিল। ইতোমধ্যে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন তাদের প্যানেল ঘোষণা করেছে। ছাত্রদল, ইসলামী ছাত্রশিবির ও গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ দিয়েছে আলাদা প্যানেল; বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলো দিয়েছে দুটি প্যানেল। পূর্ণ ও আংশিক মিলে মোট প্যানেলের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ১০টি।
এবার ডাকসুর ২৮টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন মোট ৪৭১ জন প্রার্থী। এর মধ্যে নারী প্রার্থী ছিলেন ৬২ জন। সদস্য পদে সবচেয়ে বেশি ২১৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। এছাড়া ১৮টি হল সংসদের ১৩টি পদে চূড়ান্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন ১,০৩৫ জন প্রার্থী।
হাইকোর্টের এই আদেশে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন অনিশ্চিত হয়ে পড়ল।








