নিজস্ব প্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের আসন্ন উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা নেই। তবে জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
বুধবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং সেগুলোর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র্যাব ও আনসার সদস্যদের বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতিও রয়েছে।
নির্বাচনের সার্বিক পরিবেশ ও প্রস্তুতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে সানাউল্লাহ বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ ভালো রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে কমিশন আশাবাদী।
নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, অভিযোগ তদন্ত ও নিষ্পত্তিতে ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি কাজ করছে। মাঠপর্যায়ে বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা দায়িত্ব পালন করছেন। এ পর্যন্ত পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে। অন্য দুটি অভিযোগ তদন্তাধীন।
সভায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি এবং নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা হয়।



