Homeবিবিধঅপরাধশাবিপ্রবির প্রধান প্রকৌশলীসহ তিন কর্মকর্তার নিয়োগ বাতিল, সড়ক সংস্কারে তদন্ত কমিটি

শাবিপ্রবির প্রধান প্রকৌশলীসহ তিন কর্মকর্তার নিয়োগ বাতিল, সড়ক সংস্কারে তদন্ত কমিটি

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি:

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) প্রধান প্রকৌশলী জয়নাল আহমেদ চৌধুরীসহ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া তিন কর্মকর্তার নিয়োগ বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ সড়ক সংস্কারে ৮৭ লাখ টাকা ব্যয়ের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪৩তম সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একাধিক সিন্ডিকেট সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিয়োগ বাতিল হওয়া অন্য দুই কর্মকর্তা হলেন রেজিস্ট্রার সৈয়দ সেলিম মোহাম্মদ আব্দুল কাদির এবং প্রকৌশলী বিকাশ চন্দ্র দাস।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে প্রশাসনিক পদগুলো পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আবদুল কাদিরকে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এবং প্রকৌশল দপ্তরের কর্মকর্তা জয়নাল ইসলাম চৌধুরীকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

সিন্ডিকেট সদস্যদের বরাতে জানা গেছে, নতুন করে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পেয়েছেন অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার কালাম আহমদ চৌধুরী। আর ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পুর ও পরিবেশ প্রকৌশল বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. শাহিদুর রহমানকে।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ সড়ক সংস্কারের কাজে ব্যয়ের পরিমাণ নিয়ে ওঠা প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. রবিউল ইসলামকে কমিটির সভাপতি করা হয়েছে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কালাম আহমেদ চৌধুরী, সিন্ডিকেট সদস্য আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এবং পুর ও পরিবেশ প্রকৌশল বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. শাহিদুর রহমান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, সিন্ডিকেটের সব সদস্যের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রধান প্রকৌশলীসহ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে থাকা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।

সড়ক সংস্কারের তদন্ত প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, ওই কাজে ৮৭ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। অথচ এর চেয়ে বেশি কাজ সাড়ে পাঁচ লাখ টাকায় করা হয়েছে বলে তথ্য রয়েছে। এ নিয়ে শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পক্ষ থেকে তদন্তের দাবি ওঠে। বিষয়টি যাচাই করতেই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তদন্তের মাধ্যমে সড়ক সংস্কারের কাজে ব্যয়ের যৌক্তিকতা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments