সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:
সামিট এলএনজি টার্মিনাল (‘এসএলএনজি’) স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, আগামী ৪ নভেম্বর ২০২৬ তারিখ সকাল ০৮:০০টা থেকে ৭ নভেম্বর ২০২৬ তারিখ বিকেল ১৬:০০টা পর্যন্ত নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমটি টার্মিনালের নিয়মিত ও পূর্বনির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির অংশ এবং একে কোনোভাবেই জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ হিসেবে গণ্য করা উচিত নয়।
এই রক্ষণাবেক্ষণ কাজটি বহু আগেই পরিকল্পিত এবং বার্ষিক পরিচালনা পরিকল্পনা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পেট্রোবাংলা ও আরপিজিসিএল-এর সাথে তা আলোচনা ও অবহিত করা হয়েছিল। সরবরাহ ও পরিচালনগত প্রস্তুতি নিরবচ্ছিন্ন রাখতে গ্যাস পুনঃগ্যাসীকরণ (রিগ্যাসিফিকেশন) চাহিদা, এলএনজি কার্গো সময়সূচি এবং শিপ-টু-শিপ (এসটিএস) কার্যক্রমের সাথে সামঞ্জস্য রেখে গত বেশ কিছুদিন ধরে এর বিস্তারিত সমন্বয় সাধন করা হয়েছে।
বিশেষভাবে উল্লেখ করা হচ্ছে, জাতীয় গ্যাসের চাহিদা এবং গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব সর্বনিম্ন রাখার বিষয়টি মাথায় রেখে পেট্রোবাংলা ও আরপিজিসিএল-এর সাথে পরামর্শ করে শীতের শুরুর এই সময়টিকে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বেছে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে পরিচালনা সংক্রান্ত পর্যালোচনা ও আলোচনার ভিত্তিতে আরপিজিসিএল এবং পেট্রোবাংলাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই রক্ষণাবেক্ষণ সূচি অনুমোদন করে।
বিশ্বব্যাপী এলএনজি অবকাঠামোর নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও দক্ষ পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতির নিয়মিত পরিকল্পিত রক্ষণাবেক্ষণ অপরিহার্য। একটি সুনিয়ন্ত্রিত ও পূর্ব-অনুমোদিত প্রক্রিয়ায় এই রক্ষণাবেক্ষণ সম্পন্ন করা হলে তা দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় অবকাঠামোর স্থায়িত্ব এবং পরিচালনগত নির্ভরযোগ্যতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়।
সামিট এলএনজি টার্মিনাল নিরাপদ পরিচালনা নিশ্চিত করতে এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তাকে এগিয়ে নিতে পেট্রোবাংলা, আরপিজিসিএল এবং সকল অংশীজনের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করে যেতে প্রতিশ্রুতবদ্ধ।
আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি যে, এই কার্যক্রমটিকে ‘জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ’ না বলে যেন যথাযথভাবে ‘পূর্বনির্ধারিত ও পরিকল্পিত রক্ষণাবেক্ষণ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।



