Homeবিবিধঅপরাধতাজমীন হত্যা: চট্টগ্রাম থেকে অটোরিকশাচালক গ্রেফতার

তাজমীন হত্যা: চট্টগ্রাম থেকে অটোরিকশাচালক গ্রেফতার

কুমিল্লা প্রতিনিধি:

কুমিল্লায় ধানখেত থেকে স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমীনের (১৩) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সন্দেহভাজন সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমন মিয়াকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম নগরীর অলংকার শিল্প এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস। গ্রেফতার সুমনকে চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লায় ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

সুমন চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার বাসিন্দা। তিনি কুমিল্লার বাগমারা দক্ষিণের জয়নগর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। প্রায় এক মাস আগে সেখান থেকে চলে যান তিনি।

পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার জগতপুর গ্রামের একটি ধানখেত থেকে জান্নাতুল তাজমীনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি ভ্যানিটি ব্যাগ পাওয়া যায়। অটোরিকশাটি জব্দ করে এর সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। ওই অটোরিকশার চালক সুমন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর থেকে সুমন আত্মগোপনে ছিলেন। তার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেই এবং তিনি মোবাইল ফোনও ব্যবহার করেন না। এ কারণে তার অবস্থান শনাক্ত করতে তদন্তকারীদের সময় লাগে।

নিহত জান্নাতুল তাজমীন যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলা গ্রামের আবদুল আলীমের মেয়ে। সে কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা আবদুল আলীম রেনেটা ওষুধ কোম্পানির কুমিল্লা অঞ্চলে কর্মরত। পরিবারের সদস্যরা নগরীর রেসকোর্স এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।

পুলিশ জানায়, মৃত্যুর আগে তাজমীন তার বাবার মোবাইল ফোনে নিজের অবস্থানের লাইভ লোকেশন পাঠিয়ে তাকে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেছিল। এ ঘটনায় তার বাবা আবদুল আলীম বাদী হয়ে লালমাই থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

তবে হত্যাকাণ্ডে সুমনের সম্পৃক্ততা, ঘটনার কারণ ও হত্যার পেছনের উদ্দেশ্য তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে। গ্রেফতারের পর তার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments