Homeআন্তর্জাতিকহোয়াইট হাউস থেকে সাংবাদিকদের অন্যত্র সরানোর ইঙ্গিত ট্রাম্পের

হোয়াইট হাউস থেকে সাংবাদিকদের অন্যত্র সরানোর ইঙ্গিত ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের প্রেস ব্রিফিং কক্ষে কর্মরত সাংবাদিকদের অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে ঐতিহাসিক সুইমিং পুল পুনরায় চালু করতে সাংবাদিকদের সরানোর পরিকল্পনার খবরকে ‘ভুয়া সংবাদ’ বলে দাবি করেছেন তিনি।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, প্রেস ব্রিফিং কক্ষ সরিয়ে সুইমিং পুল ফিরিয়ে আনার মতো ‘বোকামিপূর্ণ’ চিন্তা তিনি কখনো করেননি। তবে হোয়াইট হাউসের সাংবাদিকদের তুলনামূলক কম বিরক্তিকর কোনো জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হতে পারে বলে জানান তিনি। সূত্র: আল জাজিরা, নিউইয়র্ক টাইমস

নিউইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প তাঁর সাবেক প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিটকে হোয়াইট হাউসের জেমস এস ব্র্যাডি প্রেস ব্রিফিং কক্ষ থেকে সাংবাদিকদের সরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে লেভিট দায়িত্বে থাকাকালে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। গত ২৭ আগস্ট তাঁর দায়িত্বের অবসান ঘটে।

ট্রাম্পের সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের টানাপোড়েনের মধ্যেই এ বক্তব্য সামনে এলো। গত মাসে তাঁর প্রশাসন সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকোর সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। পরে এক মার্কিন ফেডারেল বিচারক ওই পদক্ষেপকে সম্ভাব্য অসাংবিধানিক বলে রায় দেন। এরপর হোয়াইট হাউস সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হয়। তবে ওই রায়ের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে প্রশাসন।

এর আগে ওভাল অফিসে এক অনুষ্ঠানে প্রশ্ন করতে গেলে সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট-এর সাংবাদিক অ্যান্ড্রু ফেইনবার্গের সঙ্গে আক্রমণাত্মক ভাষায় কথা বলেন ট্রাম্প।

নিউইয়র্ক টাইমস-এর তথ্য অনুযায়ী, ১৯৩৩ সালে প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন ডি রুজভেল্টের ব্যবহারের জন্য হোয়াইট হাউসের ওয়েস্ট উইংয়ে সুইমিং পুলটি নির্মাণ করা হয়েছিল। পরে ১৯৭০-এর দশকে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন পুলটির ওপর মেঝে তৈরি করে সেখানে প্রেস ব্রিফিং কক্ষ স্থাপন করেন।

শুক্রবার এক সাক্ষাৎকারে লেভিট বলেন, ট্রাম্প পুলটিকে আগের জৌলুশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি বিবেচনা করছেন। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

হোয়াইট হাউসের সংস্কার নিয়েও বিতর্কের মুখে পড়েছেন ট্রাম্প। ইস্ট উইং ভেঙে নতুন বলরুম নির্মাণ, রোজ গার্ডেনের পরিবর্তন এবং সাউথ লনে হেলিপ্যাড নির্মাণের মতো প্রকল্প নিয়ে সমালোচনা হয়েছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments