Homeজাতীয়দেশীয় শিল্পের বিকাশে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু

দেশীয় শিল্পের বিকাশে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু

নিজস্ব প্রতিনিধি:

দেশীয় শিল্পের বিকাশ, দক্ষ জনশক্তি তৈরি ও অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জনে দেশের মানুষের কর্মশক্তিকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষকে সমস্যা হিসেবে না দেখে কর্মশক্তি হিসেবে কাজে লাগাতে হবে। বিপুল জনগোষ্ঠীর হাতকে কর্মের হাতে পরিণত করতে পারলে বাংলাদেশ অন্যতম সম্পদশালী দেশে পরিণত হতে পারে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) আয়োজিত ‘বুটেক্স-আইটিইটি ডাই-ক্যাম এক্সপো-২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে নিজেদের উদ্যোগে শিল্পকারখানা ও প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে। স্বনির্ভর বাংলাদেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে গড়ে তোলাই সবার লক্ষ্য হওয়া উচিত। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার এ লক্ষ্য অর্জনে কাজ করছে। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ চেতনাকে ধারণ করে দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কার্যকর সংযোগ স্থাপনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের বাস্তব কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে ধারণা দেবে। পাশাপাশি অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা কর্মজীবনে প্রয়োগের সুযোগ তৈরি করবে। শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা অর্জন করতে পারলে দেশীয় শিল্পের বিকাশের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে।

তিনি আরও বলেন, নতুন উদ্যোগ ও উদ্ভাবনী চিন্তার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শিক্ষার্থী ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সম্পর্ক গড়ে উঠলে দক্ষ জনশক্তি তৈরির পথ আরও সুগম হবে।

সরকারের দায়িত্ব পালনের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারে যাঁরা রয়েছেন, তাঁরা জনগণের অর্পিত দায়িত্ব পালন করছেন। প্রধানমন্ত্রীও দায়িত্বকে ক্ষমতা হিসেবে দেখেন না; বরং জনগণের স্বার্থ রক্ষার দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করেন। বর্তমান সরকার জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।

দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, বিগত সরকারের সময়ে অর্থনৈতিক খাতে ব্যাপক সংকট তৈরি হয়েছে এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও যুদ্ধের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ বিভিন্ন খাতে সংকট ও মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। এমন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বর্তমান সরকার দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইঞ্জিনিয়ার মো. জুলহাস উদ্দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসন-৪৮-এর সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবা হাকিম, বিজিএমইএর সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদ হাসান খান, আইটিইটি বাংলাদেশের সভাপতি ও মেম্পায়ার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার এনায়েত হোসেন এবং আইটিইটি বাংলাদেশের মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার এ. এস. এম. হাফিজুর রহমান নিক্সন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments