বিনোদন ডেস্ক:
পাকিস্তানি অভিনেত্রী মীরাকে কানাডায় প্রবেশ করতে দেয়নি দেশটির সীমান্ত কর্তৃপক্ষ। কয়েক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডেইলি পাকিস্তান।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে নিউইয়র্ক থেকে কানাডা যাচ্ছিলেন মীরা। তবে কানাডার সীমান্তে পৌঁছানোর পর তাঁকে আটকে দেন অভিবাসন কর্মকর্তারা। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরত পাঠানো হয়।
কানাডার কর্তৃপক্ষ এ ঘটনায় আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কারণ জানায়নি। অভিনেত্রী মীরাও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো বক্তব্য দেননি।
কেন তাঁকে কানাডায় প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর সঙ্গে ক্যালগারিতে তাঁর আগের একটি সফরের সম্পর্ক থাকতে পারে। সে সময় তাঁর অভিনীত সাইকো সিনেমার প্রচারণা ঘিরে কাজের অনুমতি বা পরিবেশনার অনুমোদনসংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আগের ওই ঘটনার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
চলতি বছরের ঈদে মুক্তি পাওয়া সাইকো সিনেমায় জারা চরিত্রে অভিনয় করেন মীরা। তবে সিনেমাটির প্রচারণা ও প্রদর্শনসংক্রান্ত বিধিনিষেধের সঙ্গে কানাডায় তাঁর প্রবেশে বাধার সম্পর্কও স্পষ্ট নয়।
এর আগে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ নিয়েও অভিবাসনসংক্রান্ত জটিলতায় পড়েছিলেন এই অভিনেত্রী। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, একপর্যায়ে তাঁর ওপর প্রায় ১০ বছরের প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল। তাঁর পরিবার সে সময় বিষয়টিকে অভিবাসন সাক্ষাৎকারের সময় সৃষ্ট ভুল বোঝাবুঝি হিসেবে ব্যাখ্যা করেছিল।
পরবর্তী সময়ে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হলেও যুক্তরাজ্যের ভিসা নিয়ে তাঁকে আবারও সমস্যায় পড়তে হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৫ ও ২০২৬ সালের কয়েকটি প্রতিবেদনে তাঁর ক্যানসারে আক্রান্ত বোনকে দেখতে যুক্তরাজ্যের ভিসার জন্য আবেদন করার কথাও উঠে আসে।
মীরা যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারী এবং একাধিকবার দেশটি ভ্রমণ করেছেন বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের অনুমতি থাকলেও তা দিয়ে কানাডায় প্রবেশের নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না।
কানাডায় প্রবেশে বাধা দেওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ দেশটির কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত না করায় বিষয়টি এখনো অস্পষ্ট রয়ে গেছে।



