চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও শ্রেণি-পেশার প্রায় তিন হাজার মানুষ যোগ দিয়েছেন বলে দাবি করেছে দলটি।
শুক্রবার বিকেলে উপজেলার কেরানীহাট এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে দলে নেওয়া হয়। আয়োজকদের দাবি, যোগদানকারীদের মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মীর পাশাপাশি চিকিৎসক, প্রকৌশলী, ব্যবসায়ী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিরাও রয়েছেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনসিপি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার আহ্বায়ক লায়ন এ এম মুন্না চৌধুরী। প্রধান অতিথি ছিলেন দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী।
দলীয় সূত্র জানায়, যোগদানকারীদের মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), আপ বাংলাদেশ, নাগরিক ঐক্য ও গণসংহতি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নেতাকর্মীরাও রয়েছেন। তবে তাদের সবার নাম, পদ-পদবি ও পূর্ববর্তী রাজনৈতিক পরিচয়ের বিস্তারিত তালিকা অনুষ্ঠানে প্রকাশ করা হয়নি।
অনুষ্ঠানে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনাইদ, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম সুজা উদ্দিন, দক্ষিণ জেলা সদস্যসচিব জুবায়েরুল আলম মানিক, যুগ্ম সদস্যসচিব সাগুপ্তা বুশরা মিশমা ও যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক জুবায়ের আরিফসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা দেশের রাজনৈতিক সংস্কারে পরিবর্তন আনা এবং জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেন। তারা বৈষম্যহীন, ইনসাফভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলেন। পাশাপাশি চট্টগ্রামের উন্নয়ন ও স্থানীয় জনগণের বিভিন্ন সমস্যা নিয়েও বক্তব্য দেন বক্তারা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে তরুণ প্রজন্মকে ঐক্যবদ্ধভাবে ভূমিকা রাখতে হবে। একই সঙ্গে তিনি চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
এনসিপির নেতারা বলেন, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও রাজনৈতিক মতের মানুষের দলে যোগদানের মধ্য দিয়ে সাতকানিয়ায় তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হচ্ছে।
আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী, অনুষ্ঠানে প্রায় তিন হাজার মানুষ এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন। তবে যোগদানকারীদের সংখ্যা ও তাদের পূর্ববর্তী রাজনৈতিক পরিচয় দলীয় দাবির ভিত্তিতেই জানানো হয়েছে।


